জীবন যেখানে যেমন - আরিফ আজাদ
৳ 150.00
ঘরে বসে স্পোকেন ইংলিশ - মুনজেরিন শহীদ
৳ 250.00 Original price was: ৳ 250.00.৳ 200.00Current price is: ৳ 200.00.
নবি জীবনের গল্প – আরিফ আজাদ
Rated 5.00 out of 5 based on 1 customer rating
(1 customer review)
৳ 155.00
বইঃ নবি জীবনের গল্প
লেখকঃ আরিফ আজাদ
new book 2021
পৃষ্ঠা : ১৪৪
বাইন্ডিং: পেপারব্যাক
প্রচ্ছদমূল্য : ২২১ টাকা
প্রি-অর্ডার মূল্য:১৫৫৳
Category: ইসলামিক বই
Tag: গতিধারা প্রকাশনী বই
Description
nobi jiboner golpo arif azad new book 2021
নবি জীবনের গল্প আরিফ আজাদ বই রিভিউঃ
আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু সত্যিই বড় গরীব ছিলেন! কোনো বেলা দুমুঠো খাবার জুটলে কোনোবেলা জুটতো না। কোনোদিন স্ত্রী-সন্তান নিয়ে কেবল পানি পান করে আছেন, আবার কখনো হয়তো-বা চারটে খেঁজুর খেয়ে চারজন মানুষ পার করে দিচ্ছেন আস্ত একটা দিন। কোন কোন সময় দীর্ঘ দিন ধরে উনুন পেতো না আগুনের দর্শন। সে বড় কষ্টের দিন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর সংসারে!
এমন নিতান্ত এক গরীব লোকের ঘরে নিজের প্রিয়তম কন্যাকে কেনো বিয়ে দিতে গেলেন নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম? তিনি কি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর ঘরের অবস্থা জানতেন না? আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর আর্থিক দূর্গতির ব্যাপারে ওয়াকিবহাল ছিলেন না তিনি? যার সাথে নিত্য ওঠাবসা ছিলো নবিজীর, তার আদ্যোপান্ত, নাড়ি-নক্ষত্র তিনি জানবেন না— তা কি করে হতে পারে?
নবিজী জানতেন আর্থিক দিক থেকে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু গরীব, কিন্তু তাকওয়ার দিক থেকে তিনি ছিলেন বিরাট ঐশ্বর্যশালী! তার হয়তো চাল-চুলোর ঠিক নেই, নুন আনতে হয়তো তার পানতা ফুরিয়ে যায়, কিন্তু ঈমানের দিক থেকে তার অন্তর যে টইটম্বুর, তার হৃদয়ে তাওয়াক্কুলের যে এক মহাসমুদ্র বিদ্যমান, চারিত্রিক মাধুর্যতার যে সৌন্দর্যে সৌন্দর্যমণ্ডিত তিনি— এসব কিভাবে চোখ এড়াবে নবিজীর?
নবিজীর চোখ এড়ায়নি। তিনি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর তাকওয়াকে তার দারিদ্র্যের ওপরে প্রাধান্য দিয়েছেন। তার তাওয়াক্কুলের অসীম ফুয়ারাকে স্থান দিয়েছেন তার চাল-চুলোহীন অবস্থার ওপরে। তিনি সাহাবী আলীর সাহস, জ্ঞান আর কর্মনিষ্ঠাকে বেছে নিয়েছেন তার সামাজিক অবস্থানের বিপরীতে।
বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যের চাইতে অন্তরের গুণাবলীকে বড় করে দেখতে পারতেন বলেই তো নবিজী তার কলিজার টুকরো কন্যাকে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাতে নিশ্চিন্তে, নির্ভাবনায় সোপর্দ করতে পেরেছিলেন।
আমাদের সমাজের পিতৃকূল, যারা কন্যাকে বিবাহ দেওয়ার বেলায় ছেলের সহায়-সম্পত্তি, আর্থিক-সামাজিক অবস্থানকেই সবকিছুর ওপরে স্থান দেন, তারা যদি নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মতো করে ভাবতে পারেন, আমাদের সমাজে কতোই না সহজ হয়ে যেতো বিবাহ-প্রথা! যুগের জাহিলিয়াতের অন্ধকার থেকে কতো সহজেই না বেঁচে যেতো এ-সময়ের তরুণ-যুবারা!
‘নবি জীবনের গল্প’ বই থেকে এক টুকরো। ইন শা আল্লাহ, আসছে বইমেলাতেই…
বইঃ নবি জীবনের গল্প
লেখকঃ আরিফ আজাদ
Additional information
| লেখক |
আরিফ আজাদ বই |
|---|---|
| বইয়ের ধরণ |
ইসলামিক বই |
| Format |
Hard Copy (not Ebook/ not Pdf file) |
| Edition |
1st Edition |
| ভাষা |
বাংলা |
| Number of Pages |
১০০+ এর বেশি |
| Country |
বাংলাদেশ |
Reviews (1)
1 review for নবি জীবনের গল্প – আরিফ আজাদ
Add a review Cancel reply
About আরিফ আজাদ বই
আরিফ আজাদ একজন জীবন্ত আলোকবর্তিকা- লেখক আরিফ আজাদকে বর্ণনা করতে গিয়ে একথাই বলেছেন ডঃ শামসুল আরেফিন। গার্ডিয়ান প্রকাশনী আরিফ আজাদের পরিচয় দিতে গিয়ে লিখেছে, “তিনি বিশ্বাস নিয়ে লেখেন, অবিশ্বাসের আয়না চূর্ণবিচুর্ণ করেন।” আরিফ আজাদ এর বই মানেই একুশে বইমেলায় বেস্ট সেলার, এতটাই জনপ্রিয় এ লেখক। সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের সাহিত্য অঙ্গনে সবচেয়ে আলোড়ন তোলা লেখকদের একজন আরিফ আজাদ। ১৯৯০ সালের ৭ই জানুয়ারি চট্টগ্রামে জন্ম নেয়া এ লেখক মাধ্যমিক শিক্ষাজীবন শেষ করে চট্টগ্রাম জিলা স্কুলে। একটি সরকারি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং সেখানে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেন। লেখালেখির ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই আরিফ আজাদ এর বই সমূহ পাঠক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলে। তার প্রথম বই ‘প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ’ ২০১৭ সালের একুশে বইমেলায় প্রকাশ পায়। বইটির কেন্দ্রীয় চরিত্র সাজিদ বিভিন্ন কথোপকথনের মধ্যে তার নাস্তিক বন্ধুর অবিশ্বাসকে বিজ্ঞানসম্মত নানা যুক্তিতর্কের মাধ্যমে খণ্ডন করে। আর এসব কথোপকথনের মধ্য দিয়েই বইটিতে অবিশ্বাসীদের অনেক যুক্তি খণ্ডন করেছেন লেখক। বইটি প্রকাশের পরপরই তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। এটি ইংরেজি ও অসমীয়া ভাষায় অনূদিতও হয়েছে। ২০১৯ সালের একুশে বইমেলায় ‘প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ – ২’ প্রকাশিত হয়ে এবং এটিও বেস্টসেলারে পরিণত হয়। সাজিদ সিরিজ ছাড়াও আরিফ আজাদ এর বই সমগ্রতে আছে ‘আরজ আলী সমীপে’ এবং ‘সত্যকথন’ (সহলেখক) এর মতো তুমুল জনপ্রিয় বই।
Shipping & Delivery
Related products
আরজ আলী সমীপে – আরিফ আজাদ
৳ 250.00
আরজ আলী সমীপে
লেখকঃ আরিফ আজাদ
জগতে আলাে - অন্ধকারের মতাে , সত্য - মিথ্যার একটা লড়াই বিরাজমান ছিল , অ্যাছে , এবং শেষ দিন পর্যন্ত বহাল থাকবে । জাহিলিয়াতের দ্বম্বগুলাে শেষ হয়ে যায়নি এবং যাবে না । এগুলা নানান সময়ে নানান রূপে আমাদের সামনে এসে ধরা দেবে।
__ওটা মিথ্যা ’
___ওটা অযৌক্তিক “
____ওটা অবিশ্বাস্য “
_____ওটা অবৈজ্ঞানিক “
______ওটা কেবল অন্ধবিশ্বাস
এরকম নানান প্রশ্ন নিয়ে হাজির হয়েছে তাঁরা । তাদের মিথ্যাচার , যুক্তির অসারতা , অবিশ্বাসের দর্শন , পক্ষপাতী বিজ্ঞান পাঠ এবং বিশ্বাসের বিরুদ্ধে তােলা অভিযােগের বিপরীতে "আরজ আলী সমীপে" হতে পারে একটি ভিন্ন মাত্রার সংযােজন।।
__________আরজ আলী সমীপে __________
__________আরিফ আজাদ __________
আরজ আলী সমীপে বইটিতে অত্যন্ত চমৎকার ভাবে নাস্তিকদের (আরজ আলী মতুব্বরের) বিভিন্ন আজগুবি প্রশ্নের জবাব দেওয়া হয়েছে।। আরজ আলী সাহেবদের এইসব আজগুবি প্রশ্নগুলো খেয়ে ফেলছে অনেক যুবকের মাথা।
তাই সবাইকে বইটি বার বার পড়ার জন্য অনুরুধ রইলো।
আলোর ডুব – মোসলেম উদ্দিন সাগর
জীবন যেখানে যেমন – আরিফ আজাদ
৳ 150.00
Rated 5.00 out of 5
জীবন যেখানে যেমন নামে আরিফ আজাদ ভাইয়ের ২০২১ সালের নতুন বইটি অনেকে পড়ার জন্য অধীর অপেক্ষায় আছেন। তাইতো bdbookstore এর পক্ষ থেকে একমাত্র আমরাই সবার আগে বইটি পাঠকদের হাতে পৌছে দেবার চেষ্টা করছি। তাই ১৫০ টাকা দিয়ে অগ্রিম বুকিং দিয়ে সবার আগে বইটি নিশ্চিত করুন। বই available হলে ৩০%∓ ছাড়ে fixed price যুক্ত করা হবে। বইটি কেনার জন্য জন্য add to cart এ ক্লিক করে payment নিশ্চিত করুন। এরপর আপনার একাউন্টে বইটি ট্রাকিং করতে পারবেন কত সময় পর হাতে পাচ্ছেন। অগ্রিম বুকিং দিয়ে ১সপ্তাহে জীবন যেখানে যেমন বইটি সংগ্রহ করুন।
আমরা জেনে গেছি কেন আমাদের জীবনে দূর্যোগ নেমে আসে। কেন চারপাশ থেকে বিপদ আমাদের আষ্টেপৃষ্টে ধরে। কেন হুট করে আমরা প্রিয়জন,প্রিয়মুখ হারিয়ে ফেলি।কেন হতাশা গ্রাস করে ফেলে আমাদের অন্তর।
এই জীবন হলো পরীক্ষাক্ষেত্র আর আমরা সবাই হলাম পরীক্ষার্থী।
.
হাসান আল বসরীকে জিজ্ঞেস করা হলো,আপনার ধার্মীকতার গোপন সূত্র কি?
তিনি বলেনঃআমি ৪ টি ব্যপার অনুধাবন করেছি।
সেগুলো হলো
১. আমি জানি,আমার রিজিক আর কাউকেই দেওয়া হবেনা এজন্য আমার হ্রদয় তৃপ্ত হয়ে গেছে।
২. আমি জানি,আমার করণীয় (ইবাদাত)আর কেউ করে দিতে পারবেনা। তাই আমি নিজেই সেগুলো করা শুরু করেছি।
৩. আমি জানি, আল্লাহ আমাকে দেখছেন এজন্য আমি গুনাহ করতে লজ্জিত বোধ করি।
৪. আমি জানি,মৃত্যু আমার জন্য অপেক্ষা করছে।এজন্য আমি আল্লাহর সাথে দেখা করার জন্য নিজেকে তৈরি করতে শুরু করেছি।
মহান আল্লাহ আমাদের সকলকে সঠিক বোধ দান করুন আমীন।
তুমি ফিরবে বলে – জাকারিয়া মাসুদ
প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ১ – আরিফ আজাদ
৳ 250.00
Rated 5.00 out of 5
সভ্যতার শুরু থেকেই সত্য ও মিথ্যার ধারাবাহিক লড়াই। মানবতার সমাধান ইসলাম বরাবরই জাহেলিয়াতের ধারক-বাহকদের অপপ্রচার ও বিদ্বেষ মোকাবেলা করে আসছে। আধুনিক সভ্যতার এই সময়ে দাঁড়িয়েও সেই ধারা অব্যাহত আছে। স্যোসাল মিডিয়ার ক্রমবর্ধমান পরিসরকে ব্যবহার করে ইসলামদ্রোহী শক্তি সুকৌশলে তরুন প্রজন্মের চিন্তার রাজ্যে সন্দেহের বীজ বোপন করছে। সন্দেহ থেকে সংশয়, সংশয় থেকে অবিশ্বাস। এভাবে এক অবিশ্বাসী প্রজন্মের গোঁড়াপত্তন হচ্ছে কিবোর্ডে। কিছু অযাচিত বুলি শিখে, প্রশ্নের ডালি নিয়ে তারা ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বাসীদের সুশৃংখল চিন্তার দুনিয়ায়। কিছু কিছু তরুন-যুবা দিকভ্রান্তও হচ্ছে।
রক্তক্ষরণ হচ্ছে মুসলিম মিল্লাতে। অবিশ্বাসীদের আপাত চমকপ্রদ প্রশ্ন ও চ্যালেঞ্জের মোকাবেলায় হিমশিম অবস্থা। জাহেলিয়াতের চ্যালেঞ্জ যেখানে, সেখানেই বিশ্বাসী প্রাণের যৌক্তিক লড়াই। এমনই এক বিশ্বাসী তরুন আরিফ আজাদ। অনলাইন দুনিয়ায় অবিশ্বাসীদের উথ্থিত প্রশ্নের সাবলীল উত্তর দিয়ে অজস্র মানুষের প্রিয়ভাজন হয়েছেন। একজন তরুন এত চমৎকার ও যৌক্তিক ভাষায় ইসলামবিরোধীদের জবাব দিতে পারেন, ভাবতেই আশাবাদী মন জানান দেয়- আগামীর দিন শুধু সম্ভাবনার। ‘প্যারাডক্সিকাল সাজিদ’ বইটিতে গল্প ও সাহিত্যরস দিয়ে অবিশ্বাসীদের নানান প্রশ্নের জবাব দেয়া হয়েছে।
অনুভব করেছি আরিফ আজাদের কথাগুলো অনলাইন দুনিয়ার পাশাপাশি বাংলা সাহিত্যের বাস্তব দুনিয়ায়ও থাকা উচিত। নাস্তিক্যবাদ ও ইসলামদ্রোহীদের অপপ্রচারের জবাবে অনেকেই লিখছেন, বলছেন। এই বইটি সেসব জবাবের ভিত্তিকে আরো মজবুত করবে। আমার বিশ্বাস বইটি তরুণ প্রজন্মের মনোজগতে এক তুমুল আলোড়ন তুলবে। আশা করি বইটি পড়ে অবিশ্বাসীরাও নির্মোহভাবে ইসলাম নিয়ে চিন্তা করবেন।(প্রকাশকের কথা)
যে সবের উত্তর মিলতে পারে
বিশ্বাসের কথা কতটা শক্ত করে বলা যায়? বিশ্বাসী প্রাণের সুর কতটা অনুপম হতে পারে? বিশ্বাসকে যুক্তির দাঁড়িপাল্লায় মাপা কি খুব সহজ? অবিশ্বাসীকে কতটা মায়াভরা স্পর্শে বিশ্বাসের শীতল পরশ দেয়া যায়? যুক্তিতেই মুক্তি নাকি বিশ্বাসের যুক্তিতে মুক্তি?
‘প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ’ পড়ে এসবের উত্তর মিলতে পারে।
প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২ – আরিফ আজাদ
৳ 250.00
Rated 4.00 out of 5
প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ-২
বই রিভিউ।
বস্তুবাদী, ভোগবাদী ও মুক্তমনাদের ইসলাম নিয়ে রয়েছে সু-চিন্তিত পরিকল্পনা।
তারা সর্বদাই ইসলামের বিরুদ্ধে দাড় করাচ্ছে নানা ধরনের অযৌক্তিক প্রশ্ন।
প্রশ্নের পাশাপাশি তারা মুসলিম যুব সমাজের মাঝে ঢুকিয়ে দিচ্ছে সন্দেহর ডানা।
ফলে মুসলিম যুব সমাজ অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে!
এই সময়ে খুব বেশি প্রয়োজন ছিলো একটি বইয়ের যেখানে নাস্তিকদের কড়া জবাব দেওয়া হবে।
ভেঙে ফেলা হবে সকল শক্ত দেওয়াল।
আলহামদুলিল্লাহ, সেই কাজটিই করছে প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ।
এরই ধারাবাহিকতা নিয়েই প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদের দ্বিতীয় পার্ট টি প্রকাশিত হয়েছে।
প্রথমটির মতই দ্বিতীয়টিরও পাঠক চাহিদা পেয়েছে বেশ।
এই সিরিজের লিখক, আরিফ আজাদ।
প্রত্যাবর্তন – আরিফ আজাদ
৳ 250.00
#প্রত্যাবর্তন বই থেকে গল্পটা নিশাত তামমিম নামে এক বোনের, এমবিবিএস, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ।
গল্পটার নাম #পথিকের_পথিচলা
গল্পটার শেষ থেকে এক টুকরো, যেটা পড়তে যেয়ে চোখ ভিজে গিয়েছিলো 
"আমাকে নির্দিষ্ট কোনো দলমতের গন্ডিতে বেঁধে লাভ নেই, যে মহান সত্তাকে ভালবেসেছি, তাঁর বড়ত্বের কথা যেখানেই বলা হোক, যে মুখই বলুক, আমি বিভোর হয়ে শুনি। কথক ছোট হতে পারে, যার কথা বলা হচ্ছে তিনি মহান, তিনি সুউচ্চ, তাঁর বড়ত্বের কথা কোনো কুকুর বললেও তার মুখ সম্মানিত হবে, আমি তাই শুনবো। অন্তরাত্মার খোরাক জোগাতে তাই ব্যস্ত জীবনেও খুঁজে চলি দ্বীনি মজলিস, বসে পড়ি, কখনো তালিম, কখনো তাফসির, কখনো হালাকা। ইমান ও আমলের সঞ্চয়ে আমি বড্ড গরিব, যেখান থেকে পাই কুড়িয়ে নিতে চাই,
দিন শেষে তবু যদি ঘাটে ফেরার মতো কিছু গোছাতে পারি
মা মা মা এবং বাবা – আরিফ আজাদ
৳ 250.00
[মা,মা,মা এবং বাবা]
প্রিয় খােকা,
বেশ কিছুদিন ধরে তােমার কথা খুব মনে পড়ছে। ঘুরেফিরে কেবল পুরােনাে দিনের স্মৃতিগুলােই চোখের সামনে ভেসে উঠছে বার বার। তখন সময়টা ছিল বিয়ের প্রায় বছর দেড়েক পর। একজন নারী তার জীবনে সবচেয়ে প্রিয় যে সংবাদ পেতে পারে, সেই সংবাদ আমিও পেয়েছিলাম। তুমি জানাে, কী ছিল সেই সংবাদ—যা আমাকে জীবনের পরম আনন্দে ভাসিয়েছিল? সেটা ছিল তােমার অস্তিত্বের সংবাদ।
আমাকে বলা হয়েছিল, আমার গর্ভে তুমি এসেছ। বাবা আমার, আমি তােমাকে কোনােভাবেই সেই মুহূর্তের কথা বলে বােঝাতে পারবাে না। আমার গর্ভে তােমার অস্তিত্বের সংবাদ যে আমাকে কী রকম আনন্দের প্লাবনে ভাসিয়েছে—সেটা তুমি কোনােদিনও বুঝবে না।
তারপর অনেকগুলাে সপ্তাহ কেটে গেল। আমার শরীরে আস্তে আস্তে পরিবর্তন আসতে লাগল। শরীরের এই পরিবর্তনের সাথে সাথে আমি ভয়ও পাচ্ছিলাম। কারণ, আমি যা-ই খেতাম তা-ই বমি হয়ে যেত। প্রচণ্ড দুর্বলতা এসে আমার শরীরে ভর করতে লাগল। তুমি বড় হওয়ার সাথে সাথে আমার শরীরও দিন দিন বড় হতে লাগল। আল্লাহর নামে শপথ করে বলছি, তুমি গর্ভে আসার পর আমার শারীরিক দুর্বলতা, অসহনীয় ব্যথা, খেতে বা ঘুমােতে না পারা সত্ত্বেও যতই দিন গড়াচ্ছিল, তােমার প্রতি আমার ভালােবাসা ততই বেড়ে চলছিল।
আমার ধ্যান-জ্ঞান-সপ্নে সবখানে শুধু তুমি আর তুমি। এভাবে দিনগুলাে সপ্তাহ আর সপ্তাহগুলাে মাসে পরিণত হতে লাগল। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে আমিও যেন ভারী হয়ে গেলাম। আমি এত বেশিই ভারী হয়ে উঠলাম যে, কোথাও বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে। থাকতে পারতাম না। বেশিক্ষণ হাঁটতে পারতাম না। এরপর এমন একটা সময় এলাে। যখন আমি চিৎ হয়ে ঘুমাতেও পারতাম না। কেন জানাে? কারণ, তােমার ওজন। আমার বুকে প্রচণ্ড ব্যথা তৈরি করত। তাই আমি পাশ ফিরে ঘুমাতাম। তবুও আমার । ভেতরে একটা ভয় কাজ করত। ভাবতাম, পাশ ফিরে ঘুমাতে গিয়ে আবার তােমার। গায়ে কোনাে আঘাত লাগে কি না! তােমার কোনাে ক্ষতি হয়ে যায় কি না সারাক্ষণ। | কেটে গেছে—তুমি জানাে না। কত বিচিত্র আর ভালােলাগার ছিল সেই প্রহরগুলাে।
এই ভয় আমার ভেতরে কাজ করত। এই আশংকা নিয়েই কত রাত আমার নিশ্চয় এভাবেই দিন যত যাচ্ছিল, তােমার প্রতি আমার ভালােবাসা তত বাড়ছিল। তােমার প্রতি আমি আরও বেশি মনােযােগী, আরও বেশি যত্নশীল হয়ে উঠছিলাম। তােমাকে একটু ছুঁয়ে দেখার ইচ্ছে আমার তীব্র থেকে তীব্রতর হতে লাগল। আমি নীরবে কান পেতে শুনতাম। তুমি কোনাে শব্দ করছ কি না, নড়াচড়া করছ কি না। যখনই তুমি নড়ে উঠতে, আল্লাহর কসম, মনে হতাে—আমি যেন তখনই মারা যাবাে। প্রচণ্ড ব্যথায় আমি কুঁকড়ে উঠতাম। আমি যেন নিজের ভেতর নিজেই গুটিয়ে যেতাম। বিশ্বাস করাে, মুখের ভেতর কাপড় খুঁজে সেই ব্যথা আমি কত শত বার নিজের ভেতরে চাপা দিয়ে দিয়েছি। কাউকে জানতেও দিইনি। কেন জানাে? শুধু তােমার জন্য।
এরপর... একদিন সেই সময়টা এলাে। সেই মাহেন্দ্রক্ষণ! সেদিন আমি এমন এক ব্যথা অনুভব করলাম—যা আমি এর আগে কখনাে অনুভব করিনি। এমন এক ব্যথা—যার কারণে আমার মনে হচ্ছিল, আমি বুঝি মারাই যাব। ব্যথার পর ব্যথা! চাপের পর চাপ! সেকেন্ডের পর সেকেন্ড! মিনিটের পর মিনিট! আল্লাহর কসম, সেই সময়টাকে আমার সারা জীবনের মতাে দীর্ঘ মনে হচ্ছিল। সেই মৃত্যুসম যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যখন যাচ্ছিলাম; বিশ্বাস করাে, তখনােও একটি বারের জন্য আমি তােমাকে অভিশাপ দিইনি।
এক মুহূর্তের জন্যও আমি তােমাকে দোষারােপ করিনি; বরং সে সময়েও আমি এক অন্যরকম আশা, আকাঙ্ক্ষা নিয়ে তােমার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। তােমাকে একটু ছুয়ে দেখার ইচ্ছের কাছে জগতের সকল যন্ত্রণা, সকল। ব্যথা যেন পরাজিত হয়ে গেল। অপরিসীম ভালােবাসা, আদর আর মায়াভর্তি এক। হৃদয় নিয়ে আমি তােমার জন্য প্রহর গুনছিলাম।
অতঃপর তুমি পৃথিবীতে এলে। শপথ সেই সত্তার—যার হাতে আমার প্রাণ, তােমার। চেহারা দেখামাত্রই সকল যন্ত্রণা, সকল দুঃখ-ব্যথা যেন নিমিষেই মিলিয়ে গেল।
এতক্ষণ যে ব্যথা আমার কাছে মৃত্যুসম মনে হচ্ছিল, সেটা যেন কপূরের মতাে কোথায় উবে গেল এবং আমার দু‘চোখে ব্যথা আর যন্ত্রণার যে অশ্রু ছিল, মুহূর্তেই সেটা আনন্দের অশ্রুতে পরিণত হলাে। যখন আমি তােমাকে ধরলাম এবং বুকে টেনে নিলাম, আমি হাসলাম আর বললাম,—“সুবহানা রাব্বিয়াল আলা!‘ আল্লাহ আমাদের এক মহা আশীর্বাদ দান করেছেন। এক মহা নিয়ামাত দান করেছেন।
প্রিয় সন্তান, এরপর সেই নিঘুম রাতগুলাের গল্প কি তুমি শুনবে না? তুমি জান, কেন সেই রাতগুলাে আমার নিঘুম কেটেছিল? তােমার জন্যে। কারণ, আমি সহ্য করতে পারতাম না তােমার এতটুকু কান্নাও। তােমাকে কোলে নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে কত রজনী আমি কাটিয়ে দিয়েছি—সে হিসেব আর নাইবা দিলাম তােমায়। দিনের বেলায় তােমার দেখাশােনা করে আমি এত ক্লান্ত হয়ে পড়তাম, আমি এতই ভেঙে পড়তাম যে, মন না চাইতেই শরীরটা বিছানায় এলিয়ে দিতাম; কিন্তু যখনই তুমি আমার পাশ থেকে শব্দ করে উঠতে, আমি হুড়মুড় করে উঠে যেতাম। আমি দিগ্বিদিক শূন্য নয়নে তােমাকে খুঁজে নিতাম।
আস্তে আস্তে তুমি বড় হতে লাগলে। যখন তুমি হামাগুড়ি দিতে, আমি সেই দৃশ্য দেখে হেসে কুটি কুটি হতাম। যখন তুমি আমার আঙুল ধরে ধরে হাঁটতে শিখছিলে, তখন আমি মনের ভেতর কি যে এক পুলক অনুভব করতাম—তা তুমি বুঝবে না। এবং তারপর... তারপর এমন একটা দিন এলাে—যা আমার জন্য সত্যিই কঠিন ছিল। এটা ছিল সেই দিন যেদিন তােমাকে প্রথম স্কুলে দিয়ে আসলাম। তােমাকে যখন স্কুলে রেখে আসছিলাম, তখন তুমি হাউমাউ করে কাঁদছিলে। এই প্রথম আমার চোখের আড়াল হলে তুমি।
বিশ্বাস করাে, তােমার সাথে সাথে আমিও সেদিন কেঁদেছিলাম; তবুও সেই কান্নাকে আমি বাস্তবতার উপর প্রাধান্য দিইনি। আমি জানতাম, এখানে তােমাকে পড়তেই হবে। কষ্ট হলেও থাকতেই হবে, এবং এটাই তােমার জন্য উত্তম। তােমার কল্যাণের কথা ভেবে আমি সেদিন আমার আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করেছিলাম।
এরপর, বছরগুলাে দ্রুতই কেটে গেল এবং তুমি সেই কুলে বড় হয়ে উঠলে। পড়াশােনা শেষে তুমি স্বনির্ভর হলে। নিজের ভালাে-মন্দ বুঝতে শিখলে। নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে শিখে গেলে।
এরপর.. এরপর তােমার জীবনে এমন এক দিন এলাে—যেদিন আমি তােমার জন্য অত্যন্ত আনন্দিত ছিলাম, আবার একইসাথে আমার প্রচুর দুঃখবােধও হচ্ছিল।
যখন তুমি বিয়ে করার মতাে কাউকে খুঁজে পেলে, তােমার খুশি দেখে আমার কি যে আনন্দ হচ্ছিল—তা লিখে বােঝাতে পারবাে না; কিন্তু বাবা, একইসাথে আমার অনেক খারাপও লাগছিল সেদিন। এই ভেবে, অল্প যে কয়েকটা জিনিস এতদিন। আমি তােমার জন্য করতে ভালােবাসতাম, এখন থেকে সেগুলি অন্য কেউ জন্য করে দেবে। তবুও তােমাকে খুশি থাকতে দেখলে জগতে আমিই সবচেয়ে । বেশি খুশি হই।
তােমার আনন্দ, তােমার ভালােলাগা আমাকে অন্যরকম শিহরণ দেয়। আমি তােমার মা! তােমাকে আমি দশটা মাস গর্ভে ধারণ করেছি। এক মৃত্যুসম ব্যথা-যন্ত্রণা আর কষ্ট নিয়ে আমি তােমাকে দুনিয়ার আলাে দেখিয়েছি। বুকের দুধ খাইয়ে তােমাকে বড় করেছি। সমস্ত বিপদের সময় তােমাকে বুকে আগলে রেখেছি। পরম যত্নে। পরম মমতায়।
কিন্তু বাবা, যখন তােমার কাছে নতুন কেউ এলাে, যখন তুমি সঙ্গী হিসেবে নতুন কাউকে পেয়ে গেলে, আমি তােমার কাছে কেমন যেন অবহেলার বস্তু হয়ে গেলাম। ছােট্টবেলায় খেলতে গিয়ে ব্যথা পেয়ে কাঁদতে কাঁদতে যখন তুমি আমার কাছে আসতে, আমি আমার আঁচল দিয়ে তােমার চোখের জল মুছে দিতাম। বুকে জড়িয়ে ধরে ব্যথার জায়গায় মালিশ করে দিতাম। আজ যখন তুমি বড় হয়ে উঠলে, তােমার ব্যথার কথা তুমি আর আমাকে শােনাও না, কান্নাভেজা চোখে আমার কাছে ছুটে আসাে না, আমাকে জড়িয়ে ধরে, আমার আঁচলে মুখ লুকাও না। তােমার আনন্দের খবরগুলােও আমি আর জানতে পারি না।
বাবা, ভেবাে না আমি আজ অভিযােগের ঝুলি নিয়ে বসেছি। ওয়াল্লাহি, তােমার প্রতি আমার কোনাে অভিযােগ নেই। আমি তােমার মা। পৃথিবীর কোনাে মা-ই তার সন্তানের প্রতি অভিযােগ জমা রাখতে পারে না। আমিও পারিনি। শুধু চাই, তুমি ভালাে থাকো। অনেক ভালাে।
শুভ কামনা
তােমার জন্য।
#আরিফ_আজাদ

Jobair Emad –
আহা!সারাক্ষণ কি একাডেমিক পড়াশোনা করা যায়?
বিরক্তিকর!পড়তে পড়তে একঘেয়েমি চলে আসে।তখন এসব নেতিবাচকতা মুছতে একটু বিনোদনের দরকার পড়ে।আর সেই বিনোদন যদি বইয়ের দ্বারা আহরণ করা যায় তবে তো কেল্লাফতে।বিনোদনের পাশাপাশি হরেক রকমের জ্ঞানও মেলে।কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার মতো বিষয়।
এমনই এক পরিস্থিতির শিকার হয়ে জনপ্রিয় লেখক আরিফ আজাদের ‘নবি জীবনের গল্প’ বইটি হাতে নেওয়া।বহুদিন ধরে পড়ব পড়ব ভাবছিলাম শেষমেষ সে সময়টা দোরগোড়ায় এসে হাজিরা দেয়।
বইয়ের শুরুতেই লেখক আরিফ আজাদ বইটি লেখার উদ্দেশ্য সবাইকে জানিয়ে দেন।২০২০ সালের শেষের দিকে নবিজিকে ঘিরে ফ্রান্স সরকার যে ধৃষ্টতা ও অপকর্মের প্রদর্শন করে তারই প্রতিবাদস্বরূপ এ বই।আমাদের সমাজে এমন অনেকেই আছেন যারা ফ্রান্স সরকারের ন্যায় প্রতিনিয়ত নগ্ন আচরণে লিপ্ত।জেনে বা জানতে না চেয়ে তারা রোজই ইসলামের বিরুদ্ধে প্রশ্ন দাঁড় করাতে তৎপর।পাল্লাটা যখন নবিজির দিকে মোড় নেয় তখন মোটা দাগে প্রশ্নটা করা হয় উনার পবিত্র আত্মাকে কেন্দ্র করে,উনার চরিত্রকে নিয়ে।কুরআন ঠিকঠাক বুঝে না উঠতেই তারা গর্জে ওঠে-“আরে এ তো কুরআনের ভুল!এটা স্রষ্টার গ্রন্থ তো হতেই পারে না!” “এগারোটা বিয়ে করার মানে কি!” ইত্যাদি ইত্যাদি। নিজের স্বার্থে সত্য-মিথ্যার তফাৎ না করে কতশত প্রশ্ন নিয়ে তারা প্রস্তুত থাকে নবিজির নামে কুটুক্তি ছড়াতে,মুসলমানের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ করতে। অনেক মুসলিমই তাদের ছোবলে পড়ে ঘাবড়ে যায়,বুঝে উঠতে পারে না কোনটা ঠিক।
কিন্তু আমরা কি জানি জুলাইবিব (রা.) এর কথা? যার কিনা কোন প্রকারের বংশ মর্যাদা ছিল না,কৃষ্ণ-গাত্রবর্ণ ও কৃশকার দেহের জন্য তিনি সারা আরবে ছিলেন অবহেলিত,তাকে কতই না উত্তম ভাবে মূল্যায়ন করেছেন আমাদের নবিজি। যখন সবাই উমরার জন্য মক্কায় আগমন করতে তৎপর, তখন তিনি নিজ ও পরিবারের স্বার্থের ওপর দ্বীনের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন। প্রতিশোধ নেওয়ার মোক্ষম সুযোগকেও নাকচ করে শত্রুকে ভালোবাসা দিয়ে বন্ধু বানিয়ে নেওয়ার মহৎ গুণও উপস্থিত ছিলে উনার মাঝে। শত্রুর জন্য হিদায়েতের দোয়া করতেও ভুলতেন না। শুধুমাত্র বেদুইন ব্যবসায়ীর স্বার্থ রক্ষার্থে শত্রুর মুখোমুখি হতেও তিনি দ্বিধা করেননি।
এমনই হাজারো গুণে ভরপুর ছিল নবিজির চরিত্র,যা উনাকে মানব থেকে মহামানবে পরিণত করেছে।
‘নবি জীবনের গল্প’ বইয়ে লেখক আরিফ আজাদ নবি জীবনের এমনই ২১টি বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে নিজ ভাষায় সংকলন করেছেন।যারা পূর্বে লেখকের বই পড়েছেন তারা ভালই জানেন শব্দ চয়নে লেখকের রয়েছে অনন্য এক বৈশিষ্ট্য,যা পাঠককে বইয়ের সাথে জব্দ করে রাখতে সক্ষম।আলোচ্য বইটিও এর ব্যতিক্রম নয়৷
এখন প্রশ্ন জাগতে পারে-সিরাহ থাকতে ‘নবি জীবনের গল্প’ বইটি পড়ব কেন?
প্রথমত এ বইয়ে প্রতিটি গল্পের শেষপ্রান্তে এসে লেখক উক্ত ঘটনা থেকে কি কি শিক্ষণীয় বিষয় আছে বা ঘটনাটি আমাদের কি শেখায় তা ধরে ধরে দেখিয়ে দেন যা সাধারণ সিরাত গ্রন্থে অনুপস্থিত।
দ্বিতীয়ত বইটি একটি আয়নার ন্যায়,যেখানের কাচ তৈরি এক মহামানবের উত্তম চরিত্র ও চিন্তাচেতনার নির্যাস দ্বারা।অন্তত সে মূল্যবান দর্পণে নিজের অবয়ব কেমন দেখায় সে সম্পর্কে অবগত হওয়ার জন্য হলেও একবার বইটি পড়া দরকার।
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।